অন্ত

  • আদালতপাড়ায় স্মৃতির আঁকিবুঁকি
    প্রথম প্রথম ভাবতাম, বার কাউন্সিলের সনদ থাকলেই বুঝি মানুষ বলবে ‘লার্নেড’ আর সেই সাথে আয়-ইনকামও হবে প্রচুর! কিন্তু পুরোটাই মোহের জাল। আসল স্ট্রাগল শুরু হয় আইনজীবীদের সনদ পাওয়ার পরই।
  • বাংলাদেশের হিন্দু আইন: বিবাহ বিচ্ছেদের ছিন্নপত্র (চতুর্থ পর্ব)
    হিন্দু নারীদের সম্পর্কে ঢালাওভাবে বলা হচ্ছে, অধিকার দিলে তারা সনাতন ধর্মে থাকবে না; তারা সবাই ধর্মান্তরিত হবে। এই ধরনের প্রচারণাকে হিন্দু নারীদের প্রতি ঘৃণাবাচক, অসম্মানজনক ও নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেন ড. ময়না তালুকদার।
  • বাংলাদেশের হিন্দু আইন: বিবাহ বিচ্ছেদের ছিন্নপত্র (তৃতীয় পর্ব)
    বিবাহ যদি পবিত্র হয়, তবে তা বল প্রয়োগের নয়, সম্মতির বন্ধন হোক। যদি সে সম্মতি আর না থাকে, তাহলে বিচ্ছেদও হোক সম্মানের পথ। ধর্ম আমাদের শিখিয়েছে মুক্তি— রাষ্ট্রের উচিত সেই মুক্তিকে আইনরূপে প্রতিষ্ঠা করা।
  • স্বপ্নের যাত্রায় রঙিন অভিষেক
    আমি আনন্দিত হলাম এটা উপলব্ধি করে যে, আইনের বেড়াজালে বন্দী হলেই মানুষের জীবন যান্ত্রিক হয়ে যায় না। আইনজীবী হিসেবে জীবন পার করে দিলেও যে সাহিত্যরসে নিজেকে বিলীন করা যায়, সেটা প্রকাশ স্যারের সাহিত্যরস আর শুদ্ধতায় ঘেরা কথাগুলো না শুনলে হয়তো জানাই হতো না।
  • বাংলাদেশের হিন্দু আইন: বিবাহ বিচ্ছেদের ছিন্নপত্র (দ্বিতীয় পর্ব)
    জন্মসূত্রে পুরুষের দেহে যে কালিমা সঞ্চিত হয়, বিয়ের মাধ্যমে তা বিদূরিত হয়। নারীর আত্মশুদ্ধিরও একমাত্র উপায় এটি। হিন্দু আইনে বিয়ে হচ্ছে ধর্মীয় বিধানের একটা দিক। এজন্য হিন্দু বিয়ে বিচ্ছেদযোগ্য নয়।
  • বাংলাদেশের হিন্দু আইন: বিবাহ বিচ্ছেদের ছিন্নপত্র (প্রথম পর্ব)
    বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইনে হিন্দু স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কোনো বিবাহবিচ্ছেদ বা সেপারেশনের নিয়ম নেই, আইন নেই। এ বিষয়ে হলফনামা বা বিচ্ছেদের নোটিশ শুরু থেকেই বাতিল। বাংলাদেশে সনাতন ধর্মীয় রীতিতে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকে মৃত্যুর পরেও, কোনো কোনো ধর্মীয় মার্গ বিধান দেন যে এ সম্পর্ক হলো জন্ম জন্মান্তরের।
  • নিম্ন আদালতে নকলের জন্য নাকাল: কত দূরে প্রযুক্তির ছোঁয়া?
    নকলকারী, আদালত, আর রেকর্ড রুম—এই গ্যাঁড়াকলে পড়ে একদিকে নকলকারী ছুটছেন নথির খোঁজে, আইনজীবী ছুটছেন নকলকারীর পেছনে, আর বিচারপ্রার্থী ছুটছেন আইনজীবীর পেছনে। বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের পথে এই ছুটোছুটি যেন এক অন্তহীন ম্যারাথন। সিস্টেমের জটিলতায় ভয়াবহ এক প্রশাসনিক গোলকধাঁধায় হারিয়ে যায় ন্যায়বিচারের আশু প্রয়াস।
  • আদালতে বাংলা ভাষার কান্না: দ্বিতীয় পর্ব
    জজ সাহেব তার জবানবন্দি ইংরেজিতে লিখতে গিয়ে ‘দবুড়’ শব্দটির অনুবাদ করলেন chasing (ধাওয়া করা)। বাদীকে তার দেওয়া জবানবন্দি ব্যাখ্যা করা হলে তিনি বললেন, “এ কথা তো আমি বলি নাই!” এরপর তার আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক সংশ্লিষ্ট লাইনগুলো কেটে দেন। এতে সময় নষ্ট হয়, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা বিরক্ত হন।
  • আদালতে বাংলা ভাষার কান্না: প্রথম পর্ব
    যেখানে ইংরেজি সব মুশকিল আসান করে দেয়, সেখানে বাংলার শক্তি কোথায়? ব্রিটিশ কলোনির সংস্কারের সেই ভুষণ্ডীর মাঠের ভূত তাড়ানোর জাগরণের মন্ত্র কোথায়? আইন-আদালতে বাংলা— সেটাও কি মূল্যহীন আমজনতার দিনগত পাপক্ষয় মাত্র?
×
পরামর্শ প্রয়োজন? এখানে চাপুন!