যখন বলা হয়—“এটা বাংলা কোর্ট নয়, ইংরেজি কোর্ট!” যখন আদালতে ফটাস ফটাস করে ইংরেজি বলে বিচারপ্রার্থী ও বিচারকের মনোরঞ্জনের চেষ্টা চলে, মোয়াক্কেলের তুষ্টি মেলে, অভিজাত ব্যারিস্টার মনে মনে প্রবল পুলক অনুভব করেন— তখনই আমাদের মাতৃস্তন্য অমিয়ধারা রূপ হাজার বছরের সংগ্রাম সঙ্কুল মাতৃভাষা বাংলা, এই বৈষম্যে ভরা রাষ্ট্রের এক কোনায় সঙ্কুচিত হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে।
আদালত প্রাঙ্গণে, বারান্দায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিচারপ্রার্থীদের বিষণ্ন ম্লান মুখে বসে থাকতে দেখা যায়। তাদের বেদনা কি রাষ্ট্র ধারণ করতে পারে? আদালতে মাতৃভাষায় রায় প্রদান করা হলে সাধারণ জনগণ আইনের কাছে সহজে যেতে পারতেন— এ কথা সংশ্লিষ্ট অধিকাংশই জানেন। কিন্তু শ্রমসাধ্য এই কাজটি কি কেউ করতে পেরেছেন? আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কি এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান সফলতা দেখাতে পেরেছে?
যাদের মেরুদণ্ডে আচার আর আনুষ্ঠানিকতা-সবর্স্বতার ঘুণপোকার আসন, ফেব্রুয়ারি এলে শুধুমাত্র তারাই সর্বস্তরে বাংলা চালুর আবেগে উথলে ওঠেন। বাংলাকে আন্তর্জাতিক ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া গেছে, ২১শে ফেব্রুয়ারিকে দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি— এটাকেই কি আমরা বড় পাওয়া ধরে নেব? এতেই কি সব অর্জন শেষ?
বাংলার চেয়ে ইংরেজিকে কি মোক্ষজ্ঞান করেন না আমাদের বিদ্বৎসমাজ? দু’লাইন ইংরেজি বলতে পারলে এখানে বড় চাকরি মেলে। প্রজাতন্ত্রের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হওয়ার জন্য যে বিসিএস পরীক্ষা, তার মৌখিক পর্বে ইংরেজিতে কথা বলতে পারলেই ভালো পদ পাওয়া যায়।
যেখানে ইংরেজি সব মুশকিল আসান করে দেয়, সেখানে বাংলার শক্তি কোথায়? ব্রিটিশ কলোনির সংস্কারের সেই ভুষণ্ডীর মাঠের ভূত তাড়ানোর জাগরণের মন্ত্র কোথায়? আইন-আদালতে বাংলা— সেটাও কি মূল্যহীন আমজনতার দিনগত পাপক্ষয় মাত্র?
আদালতে বাংলা: বাস্তবতা ও অবহেলা
আইন-আদালতের সাংবাদিকতা করতে গিয়ে দেখেছি— চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বাংলা অনুবাদ যথাক্রমে “মুখ্য মহানগর হাকিম” ও “মুখ্য বিচারিক হাকিম” লিখলে কিছু বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা আপত্তি করেন। তাঁদের খাসকামরায় গেলে সাংবাদিকদের কাছে তাঁরা এই বিষয়ে ‘গোস্বা’ প্রকাশ করেন। অথচ মহামান্য উচ্চ আদালত, অর্থাৎ হাইকোর্ট থেকে আদালতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিধান দেয়া হয়েছে। এটি করা হয়েছিল এক ভাষা আন্দোলনের মাসেই!
বেতার ও দূরদর্শনে বাংলা ভাষা বিকৃত করা যাবে না— এমন অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কী? এখন তো একুশে ফেব্রুয়ারি, ৮ই ফাল্গুন, শহীদ মিনারে প্রভাত ফেরি পরিণত হয়েছে এক আনন্দ ভ্রমণের উৎসবে। বেলুন কিনে, ফানুস কিনে দিবসটিকে শোকের পরিবর্তে উৎসবে পরিণত করা হচ্ছে। কেন ভাষা শহীদ দিবসের গভীরতা কেউ আত্মা দিয়ে, রক্ত দিয়ে অনুভবে আনেন না?
আর উচ্চারণের অবস্থা? বাংলার সঙ্গে অধিকাংশ বাক্যে ঢুকে পড়েছে ইংরেজি, তৈরি হচ্ছে আধা-খেঁচড়া ভাষা। নবপ্রজন্ম এটি কীভাবে গ্রহণ করছে, আমরা তা ভালোভাবেই জানি। আদালতপাড়ায় ক’জন আইনজীবী শুদ্ধ, প্রমিত উচ্চারণে বাংলা বলতে আর কজনই বা লিখতে পারেন— সেটাও আমাদের অজানা নয়!
আইনি স্বীকৃতি থাকলেও বাস্তবতা শূন্য
একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি, যখন তিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন, তখন ২০০৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলায় মামলার রায় লেখা শুরু করেছিলেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি প্রায় ২০০টি রায় বাংলায় লিখেছিলেন। পরবর্তী সময়ে প্রধান বিচারপতি হওয়ার পরও তিনি বাংলায় রায় লেখা অব্যাহত রাখেন। কিন্তু তারপরও উচ্চ আদালতে বাংলার আদর জোটেনি।
অনাদরে-অবহেলায় দুঃখিনী বর্ণমালা দিন দিন নিষ্প্রভ হয়ে যাচ্ছে, ফাঁপা রাষ্ট্রযন্ত্রের মিথ্যা স্তাবকতায় বিবর্ণ হতে হতে বছরের পর বছর কেটে যায়; বাংলা ভাষাকেও বাংলাদেশ নামক এই মাতৃভূমির মতোই বঞ্চনার মুকুট শিরোধার্য করতে হয়।
সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদে আছে সুস্পষ্ট অথচ ছোট্ট একটি বাক্য— “প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।” কিন্তু বেদনাদায়ক প্রহসন এটাই যে, এখনও সর্বস্তরে বাংলা চালু করা সম্ভব হয়নি।
ভাষা আন্দোলন: ইতিহাস ও বাস্তবতা
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস কারও অজানা নয়। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আজ আর শুধুমাত্র জাতীয় পরিসরে সীমাবদ্ধ নেই; এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারিকে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্ব পালন করছে। অনেক দেশ তাদের রাষ্ট্রভাষাকে আদালতে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেসব দেশের বিচারকরা মাতৃভাষায় বিচারকাজ পরিচালনা করছেন, রায় দিচ্ছেন। অথচ যে দেশে ভাষার জন্য মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছে, যে দেশে ভাষার জন্য রক্ত ঝরেছে, সেই দেশের আদালতেই নিজ মাতৃভাষা আজও উপেক্ষিত!
সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদের ওপর ভিত্তি করে ১৯৮৭ সালে “বাংলা ভাষা প্রচলন আইন” প্রণয়ন করা হয়। এ আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী—নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সওয়াল-জবাবসহ সকল আইনুানগত কার্যক্রম বাংলায় হতে হবে। বাংলা ছাড়া অন্য ভাষায় আবেদন বা আপিল বেআইনি ও অকার্যকর গণ্য হবে। কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করে বাংলার বৈ অন্যভাষা ব্যবহার করলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
এ আইনের ৩(৩) ধারায় বলা হয়েছে, “যদি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহা হইলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপীল বিধির অধীনে অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তাহার বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপীল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।”
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১০১৮ অনুযায়ী, অসদাচরণের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে চাকুরি হতে অপসারণ।
কিন্তু বাস্তবে কি কেউ এ আইন অমান্য করার জন্য ন্যূনতম শাস্তি ‘তিরস্কার’ও কী পেয়েছেন? এমন কোনো উদাহরণ নেই। কেউ এই আইন মানতে বাধ্য হয়নি। প্রশাসনে ইংরেজির দাপট চলছে, আদালতেও তার ব্যতিক্রম নেই। কোথাও কোনো বাধা নেই!
আদালতে ভাষার ব্যবহার নিয়ে আইনি জটিলতা
সবই তালগোল পাকানো! বর্তমানে আদালতগুলোতে ভাষার ব্যবহার যথেচ্ছ ও অনিয়ন্ত্রিত। উচ্চ আদালতে ইংরেজি কার্যত বাধ্যতামূলক, আর নিম্ন আদালতে বাংলা-ইংরেজির মিশ্র ব্যবহার চলে।
আইন বিশারদদের মতে দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা সংশোধন না হওয়ায় উচ্চ আদালতে বাংলার প্রচলন নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
১৩৭ ধারার (১) উপধারায় বলা হয়েছে, “সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আইন বলবৎ হওয়ার সময় যে ভাষা হাইকোর্ট ডিভিশনের অধীনস্থ আদালতের ভাষা হয় ওই ভাষাই অনুরুপ আদালতের ভাষা হিসাবে চলিতে থাকিবে।”
উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, “অনুরূপ কোনো আদালতের ভাষা কী হইবে এবং অনুরূপ আদালতে কোন ধরনের দরখাস্ত এবং কার্যধারা লিখিত হইবে সরকার উহা ঘোষণা করিতে পারে।”
উপধারা (৩)-এ বলা হয়েছে, “যেক্ষেত্রে অনুরূপ আদালতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত কোনো বিষয় এ আইনে লিখিত হওয়ার প্রয়োজন বোধ হয় বা অনুমতি প্রদান করা হয় সে ক্ষেত্রে অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হইতে পারে; কিন্তু যদি কোনো পক্ষ অথবা তাহার উকিল ইংরেজির সহিত অপরিচিত হন তবে তাহার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উহার অনুবাদ তাহাকে সরবরাহ করা হইবে; এবং আদালত ওই অনুবাদের খরচ প্রদান সম্পর্কে উপযুক্ত মনে করে এরূপ আদেশ প্রদান করিবে।”
জুলাই অভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কার—বাতিল নিয়ে আলোচনা হলেও আদালতে বাংলার ব্যবহার বিষয়ক কোনো আলাপ উঠেনি। সম্ভবত, অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাবদ্ধতার কারণে বিষয়টি আলোচনার বাইরে রয়ে গেছে।
“বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭” আইনের আলোকে ২০১১ সালে আইন কমিশন সুপারিশ করেছিল যে, আদালতের সব কার্যক্রমে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তবে এই সুপারিশ এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। উচ্চ আদালতের কোন কোন বিচারপতি বাংলায় রায় লেখা শুরু করলেও অধিকাংশ রায় এখনও ইংরেজিতে হচ্ছে।
১৯৯১ সালের এক রিট মামলায় হাইকোর্ট ঘোষণা করে যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭(২) ধারায় অধস্তন আদালতে ইংরেজির ব্যবহার আইনসম্মত, যা বাংলা ভাষা প্রচলন আইনের সাথে সাংঘর্ষিক।
বাংলা ভাষার উন্নয়নে নেওয়া পদক্ষেপ
প্রায় প্রতি বছরই বাংলা ভাষায় দাফতরিক কার্যাবলি চালানোর বিষয়ে নানা পরিপত্র জারি করা হয় এবং বহু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো ‘বাংলা একাডেমি অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে ‘বাংলা একাডেমি আইন, ২০১৩’ প্রণয়ন, যা জাতীয় সংসদে পাস হয়। এই আইনের ধারা ১০-এ জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার সহিত সঙ্গতি রেখে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন, লালন ও প্রসার সাধন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও সম্প্রাসরণের সঙ্গে সংগতি রক্ষা করে বাংলা ভাষার গৌরবময় ঐতিহ্য সমুন্নত রেখে সর্বস্তরে এবং জ্ঞানচর্চার সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষার প্রচলন, ব্যবহার ও বিকাশের কথা বলা হয়েছে। বাংলা ভাষার প্রামাণ্য অভিধান, পরিভাষা ও ব্যাকরণ রচনা, রেফারেন্স গ্রন্থ, গ্রন্থপঞ্জি এবং বাংলা ভাষার বিশ্বকোষ প্রণয়ন ও সহজলভ্যকরণের বিষয়টিও এই আইনে রয়েছে।
বাংলা একাডেমি আইন ২০১৩-তে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলা শব্দের প্রমিত বানান ও উচ্চারণ নির্ধারণ, উচ্চতর পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক রচনা, অধ্যয়ন ও গবেষণায় বাংলা ভাষার অগ্রাধিকার, আধুনিক ও প্রযুক্তিসম্পন্ন গ্রন্থাগার স্থাপন এবং বাংলা ভাষায় দক্ষতা অর্জন, বানানরীতি ও সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজনের ওপর।
২০১৮ সালের ৭ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আইন-২ শাখা থেকে ‘আইনের খসড়া প্রণয়নের ক্ষেত্রে ভাষাগত উৎকর্ষ, বিষয়গত যথার্থতা এবং সংশ্লিষ্ট আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের লক্ষ্যে অনুসরণীয় রূপরেখা’ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আইনের খসড়া প্রণয়নের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকবে, খসড়া চূড়ান্ত করার আগে বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ভাষার যথার্থতা নিরীক্ষা করা হবে, আইনের ভাষা নির্ধারণে সাধু ভাষারীতি অনুসরণ করতে হবে, সংবিধানের ভাষারীতির মান বজায় রাখতে হবে এবং যতদূর সম্ভব ইংরেজি শব্দ পরিহার করে প্রমিত বাংলা শব্দ ব্যবহার করতে হবে। তবে প্রযুক্তিগত পরিভাষার ক্ষেত্রে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করা যেতে পারে।
আমরা দেখি, আমাদের অনেক আইনজীবী বাংলার সঙ্গে ইংরেজির মিশ্রণে আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তবে রায়ের ক্ষেত্রে দুই ভাষার সংমিশ্রণ শোভন নয় এবং সম্ভবও নয়। রায় যে কোনো এক ভাষায়ই লিখতে হয়। এ জন্য আইন অঙ্গনে বিশুদ্ধ বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে যেসব বাস্তব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেগুলো দূর করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
প্রত্যেক বিচারকের উচিত এমন সংকল্প করা যে, তারা বাংলা ভাষায় রায় লিখবেন। তবে যেসব রায়ে আন্তর্জাতিক আবেদন থাকতে পারে বলে বিচারক মনে করবেন, সেক্ষেত্রে বিচারকের স্বাধীনতা থাকা উচিত যে তিনি ইংরেজি বা বাংলা—যে কোনো ভাষায় রায় লিখতে পারেন।
প্রকাশ বিশ্বাস, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফর বাংলাদেশ
লেখক, গবেষক ও আইনজ্ঞ
আদালতে বাংলা ভাষার কান্না: দ্বিতীয় পর্ব
Discover more from মত-প্রতিমত
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
